আমি প্রায় অনেকদিন ধরেই একটা জিনিস লক্ষ্য করছি ভারতে ট্রেনের ব্যবস্থা অনেক খারাপ এসে যেমন বাসের অবস্থা খারাপ যেখানে অ্যাক্সিডেন্ট হয় ইন্ডিয়াতে কি অবস্থা এই যে ট্রেনে মানুষ কাটা পড়ছে এটা কিন্তু নতুন না এটা অনেক পুরান একটা বিষয় দিন পর পরই আমরা আর নিউজ দেখতে পাই যে এত লোক মারা গেল ওইখানে এতগুলো লোক মারা গেল ট্রেনে চাপা পড়ে।
আজকে যে ঘটনাটা ঘটেছে সেটা হল কমপক্ষে 50 জন এবং 35 জনের মতো আহত হয়েছে আজকে শুক্রবার এই ঘটনাটি ঘটে হিন্দুস্তান টাইমসে বলা হয়েছে রাবণের যোহন মূর্তিটা আর কি আগুনে পোড়ানো হচ্ছিল তখন অল্প জায়গার মধ্যে অনেকগুলো মানুষ জড়ো হয়েছিল প্রায় 300 জনের মতো হবে। অনুষ্ঠানের খুব কাছেই রেললাইন। যেহেতু আতশবাজিতে অনেক প্রচুর শব্দ হয় এবং আতশবাজির এগুলো আসলেই গায়ে পড়তে পারে সেই জন্য কিছু লোক রেল লাইনের কাছে কি অবস্থান করে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ রেললাইনে একদম উপরে উঠে যায়।
এদিক দিয়ে রেলগাড়ি আসতে থাকে এবং রেলগাড়ি শব্দ করে আসে কিন্তু পাশে উৎসবের কারণে প্রচুর শব্দ হচ্ছিল তাই রেলগাড়ি শব্দ শুনতে পাইনি ফলে রেলগাড়িটি তাদের উপর দিয়ে চলে যায়।
এখানে এত বড় একটি অনুষ্ঠান হবে পুলিশ প্রশাসন কি কোন ভূমিকা ছিল না তাদের তো একটা দায়িত্ব ছিল বা যেই কমিটি বা যারা এই উৎসবটি আয়োজন করেছে তাদের তো একটা কিছু থাকা উচিত ছিল নিরাপত্তা দেয়ার জন্য যে এতগুলো রোগে এখানে জমায়েত হবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা তো তাদের দেখভাল করা উচিত ছিল। কিছু এখানে হয়নি হলে আজকে এতগুলো মানুষ মারা যেত না। এর দায় কার আমি মনে করি যারা এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে সেখানকার স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সেখানকার এমপি সেখানকার প্রশাসন তাদের সবার গাফিলতি ছিল 50 টি তাজা প্রাণ চলে গেল।