আধুনিক নো সমরবিদ্যা অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো ডুবোজাহাজ সাবমেরিন। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ডুবোজাহাজের ব্যবহার হলেও এর সবচেয়ে ভয়ানক অবস্থা শুরু হয় আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের এর স্নায়ুযুদ্ধের মধ্য দিয়ে।
তারই ধারাবাহিকতায় হিসেবে যুক্ত হয় সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্য আকুলা নামে সবচেয়ে বড় সাবমেরিন।
পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত আধুনিক অজস্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তৈরি করতে থাকে অত্যন্ত আধুনিক ও সম রাষ্ট্র হিসেবে তারা খুব দ্রুত সাবমেরিন বড় জাহাজ তৈরি করতে থাকে। মারকিং এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্য এই সামরিক অস্র প্রতিযোগিতার মধ্য তারা দুই দেশে আশঙ্কা ছিল যে তারা যেকোনো সময় তাদের উপর আক্রমণ করতে পারে আর তাই এর জন্য তাদের প্রয়োজন বিরাট আকারের তৈরি করা সাবমেরিন তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে থাকলেও সমস্যা তারা তাদের সাবমেরিন পানিতে ডুব ডুব শব্দ হতো যাতে করে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সাবমেরিনগুলো কোথায় লুকিয়ে আছে।
সব দিনগুলো সমুদ্র তাহলে দীর্ঘদিন থাকার জন্য প্রচুর পরিমাণ জ্বালানি খরচ বহন করতে হতো আর এই সমস্যা সমাধানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তারা সাবমেরিনে পারমাণবিক চুল্লী ব্যবস্থাপনা করে এর ফলে অল্প পরিমাণ ইউরেনিয়াম দিয়ে শাবনুর এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করত যাতে করে তাদের খরচ অনেকটাই কম হতো এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাবমেরিন তৈরি করেসে । এই সাবমেরিনগুলো প্রাইস অফ বৃষ্টি পারমাণবিক বোমার ধারণক্ষমতা প্রায় অনেকদিন যাবৎ নিঃশব্দে পানির নিচে ঘুরে বেড়ায় ঘুরে বেড়ানোর সক্ষমতা।
আমেরিকার এমন সাফল্যের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধান নেতা তারা তাদের সাবমেরিন থেকে আর আনেক বড় পারমাণবিক চুল্লি তৈরি এবং এর চেয়েও বড় পারমাণবিক ক্ষমতাধর পূর্ণ একটি জাহাজ তৈরি করার ঘোষণা দেন।
তারিখ ঘোষণা অনুযায়ী তারা তৈরি করে হাঙ্গর নামের এক প্রকার ডুবোজাহাজ । এটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং দ্রুতগামী ডুবোজাহাজ এই ডুবোজাহাজটি তিন স্তরবিশিষ্ট তৈরী করা হয় যাতে ঘটনাক্রমে কোনো যুদ্ধক্ষেত্রে এর উপরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরোপুরি সাবমেরিনটি নস্ত না হয় পরে। এই ব্যবস্থা এখানে রাখা হয়েছিল।