ফরিদপুরে থাকার সময় মাঝে মাঝেই যাওয়া হতো পদ্মা নদীর পাড়ে । বন্ধুদের সাথে নদীর পাড়ে হাটা স্মৃতি হয়ে থাকবে চিরদিন । এখানে প্রতিদিন বিকাল বেলা এই এলাকার প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে । সবাই নদীর পাড়ে কিছু সময় সুন্দর করে কাটায় । নদীর পাড়ে প্রচুর বাতাস বয়ে যায় । প্রকৃতির এই সুন্দর বাতাসে প্রাণটা জুরিয়ে যায় । সারাদিন কর্ম ব্যস্ততার পর প্রাকৃতিক বাতাস কার না ভালো লাগে?
এই নদীর পাশেই রয়েছে কবি জসিম উদ্দিন এর বাড়ি । সেখানে অনেকে ঘুরতে যান । কবির স্মৃতিময় অনেক জিনিস এখানে রয়েছে । এছাড়া কবির লেখা বিভিন্ন কবিতা লেখে রাখা আছে বাড়ির দেওয়ালে । পল্লী কবির লেখা যেন পল্লীর মানুষ দের কে নিয়েই । ফরিদপুর জেলার সাথে পল্লী কবি জসিম উদ্দিন এর নামটি ওতপ্রোত ভাবে জড়িত । বিশেষ করে তার লেখা কবর কবিতাটি পড়ে মুগ্ধ হয়নি এমন মানুষ খুজে পাওয়া দুষ্কর । এই কবিতাটি আমার খুব প্রিয় ।
কবি জসিম উদ্দিন হয়তো পদ্মা নদীর পাড়ে বসে কবিতা লেখার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন । কবিতা লেখতে একটা সুন্দর পরিবেশ প্রয়োজন যেটা পদ্মা নদীর পাড়ে রয়েছে । চমৎকার দৃশ্য সাথে প্রকৃতির হাওয়া সবাইকে একটি স্বপ্নের দেশে নিয়ে যায় । যেটা একটা কবির জন্য খুবই গুরুত্ব বহন করে । যাইহোক পদ্মা নদীর এই সুন্দর ভ্রমণ আমি কখনও ভুলব না।