মৃদু হাসিয়া বলিলো কনকনে শীতের বুড়ো!! ---
আমি চির চেনা শহরে তোমায় ছুঁয়ে দিবো বলে
আবার পা বাড়িয়েছি।
মিষ্টি হাসিয়া বলিলাম!___
এসো হে অতিথি- আমি তোমার হাতটি ধরে
মেঠো পথে চলবো, তুলে ঝংকার নূপুরের
ধ্বনি।
বলিলো আবার সে___ বহু দিন পর আবার জড়িয়ে
নিবো তোমায় হিমহিম বাতাসে, আমার বাহুতে।
বলিলাম, ওগো শীত!
তোমার কম্পনে, মশার কামড়ে, ঘুটঘুটে
অন্ধকারে, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। মাঝে মাঝে
শিয়ালের হাঁক, শ্বাস রুদ্ধ করে শুনবো আমি মুগ্ধ
হয়ে--
তোমায় উলের চাদরে জড়িয়ে নিয়ে।
বলিলো সে মধুর- স্বরে!
আধো আলো আধো ছায়াতে,
ভোরের শিশিরে ভিজিয়ে দিবো তোমায় খুব
যত্নে।
বলিলাম তারে বড্ড অবহেলা করি!
নির্ঘুম, নির্বাক আমি,
অজানা আনন্দে দুলছে আমার হৃদয় খানি,
তোমার আগমন বার্তা পেয়েছি যখনি।
ভেজা শিউলি ফুল কুড়িয়ে নিবো দু' হাত ভরি।
বলিলো সে ডাগর চোখ তুলি!__
ক্ষত, বিক্ষত করবো শরীর অকারণে, শ্বাস
কষ্ট ও বেড়ে যাবে আমার কারনে। হিম কুয়াশায়
ঢেকে দিবো শহর, দিয়ে উষ্ণ আদর।
আকাশ, বাতাস এখন আমার দখলে,
বাতাসে ভর করে আমার আগমনে--
সূর্যি মামা ও লুকাইবে মেঘের আড়ালো।
ওহে, শীত!----
কুয়াশাচ্ছন ভোরে পুলকিত করে
শীতের আগমন বার্তা।
ভিন্নতা খুঁজি প্রকৃতির মাঝে,
সব সুখ পাই পরিবর্তনে।
ওহে, অতিথি !
তুমি এসো, তুমি এসো তবে, তোমায় বরণ করে
নিবো
নকশি কাঁথা আর রং বেরং এর চাদরে