বৃষ্টি হলেই যেন ফুটবল খেলার একটা হিড়িক পড়ে যায়। ফুটবলটা শুধু বর্ষার সময়েই খেলা হয়। গ্রীষ্ম বা শীতে না৷ এর পেছনে কোনো কারণ আছে কিনা জানা নেই৷ তবে ছোটবেলা থেকেই বৃষ্টির স্কময় আমরা ফুটবল নিয়ে মাঠে নেমে যেতাম খেলার জন্য। বিকেল থেকে সন্ধ্যা বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে খেলা শেষ করে কাদামাখা অবস্থায় বাড়ি ফিরে মায়ের বকুনি খেতাম। কখনো কখনো মাইরও খেতাম। মাঝে মাঝে এসব খুব মিস করি।
ব্যাক্তিগত কিছু কাজে কুমিল্লা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, অর্থাৎ গ্রামের বাড়িতে আসলাম আজ৷ অন্য সময় সিএনজিতে আসলেও আজ ট্রেইনে চড়েই এসেছি। ট্রেইনে খুন অল্প সময়ের মাঝেই পৌছানো যায়, যেখানে বাস বা সিএনজিতে এর চেয়েও বেশি সময় লাগে। গতকালকের বৃষ্টির পর আজকের আবহাওয়াটা মোটামুটি ভাল ছিল। তাই ট্রেইন জার্নিটাও খুব একটা মন্দ লাগে নি।
বাড়িতে আসার পর দেখি বাড়ির সামনের মাঠে দুই পাড়ার ফুটবল ম্যাচ চলছে। গ্রাম বাংলায় এখনো পাড়া বনাম পাড়ার ফুটবল ম্যাচ টিকে আছে দেখে ভাল লাগল৷ ম্যাচে অবশ্য আমাদের পাড়া হেরেছে৷ কিন্তুবতাতে কী যায় আসে! অনেকদিন পর মাঠের পাশে বসে সবাই মিলে ফুটবল ম্যাচ দেখে যেই তৃপ্তি পেয়েছি, সেটাই অনেক। ১-০ গোলের এই ম্যাচটা সত্যিই খুব উপভোগ্য ছিল।
খেলা শেষে বেশ কিছুক্ষণ গ্রামের রাস্তায় হাঁটাহাটি করলাম। গ্রামের এউ রাস্তাটা আমার কাছে বেশ ভালই লাগে৷ যতবার গ্রামে আসি, এই রাস্তায় সুযোগ পেলেই আমি চলে আসি। বিশেষ করে এই বাঁশের তৈরি ব্রিজটা। এখানে এসে বসে থাকি আমি। উত্তরের হাওয়া সবসময় লেগে থাকে এখানে৷ চুপচাপ বসে থাকলে মনটা ভাল হয় যায়।
আজ শরীরটা তুলনামূলক ভাবে খারাপ। মাথাটা ভনভন করছিল৷ যতক্ষণ বাইরে ছিলাম, ভালই ছিলাম৷ কিন্তু বাসায় আসার পর থেকে আর কিছু নিতে পারছি না। বাড়ি থেকে আসার সময় ঔষুধ আনা হয় নি। গত দুইদিনও ঠিক মতো ঔষুধ খাওয়া হয় নি। সম্ভবত এই কারণেই শরীরের এই হাল। শরীরটাকে তো আর কষ্ট দেয়া চলে না। ঘুমিয়ে পড়তে হবে।
আজ বেশি কিছু লেখার সুযোগ পাচ্ছি না। ঘুমাতে হবে...