(রোহিঙ্গা জীবনের গল্প-সীমান্তের ওপারেঃ পর্ব-০১)
মংডু ॥ রাখাইন রাজ্য ॥ মিয়ানমার
সীমান্ত শহর মংডুর অদূরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি পাহাড়ি গ্রাম। নাম ফাতংজা। প্রভাত সূর্যের রক্তিম আভা ছড়িয়ে প্রতিদিন যখন দূর পাহাড়ের মাথায় সোনালি আলো ঝিলমিল করে, তখন মনটা খুবই উৎফুল্ল হয় সাদের। পাহাড়ি কিশোর সাদের জন্ম এই গ্রামে। এই গ্রামের জল হাওয়া, মাটি-পাহাড়, বন জঙ্গল নদী তার খুবই ভালো লাগার স্থান। অবশ্য এই গ্রামের বাইরে খুব একটা যাওয়া হয়ে ওঠেনি ওর।
ফজরের নামাজের পরে প্রতিদিন ও প্রতীক্ষায় থাকে কখন দিগন্ত রাঙা করে সূর্যের আগমন ঘটবে আর সে নির্নিমেষ দৃষ্টিতে চেয়ে চেয়ে দেখবে। ছোটবেলা থেকে এই একই দৃশ্য দেখতে খারাপ লাগেনি তার বরং প্রতিদিনই যেন সে নিজেকে আবিষ্কার করে নতুন রূপে; নতুন সূর্যের আগমনে। ঠিক তেমনি সন্ধ্যা বেলা যখন দূর পাহাড়ের মাথায় নারিকেল গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্য অস্তগামী হয় সেদিকে উদাস নয়নে চেয়ে থাকে ও। তারপর সন্ধ্যার আবীর ধীরে ধীরে রাতের অন্ধকার গ্রাস করে নেয়, তখনই ওর বাড়ি ফেরার কথা মনে পড়ে। আবার মাঝে মাঝে মনেও পড়ে না, যখন দীর্ঘ নারিকেল শাখার উপরে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে পূর্ণিমার চাঁদ, তখনও তন্ময় হয়ে বসে থাকে। ঘরে ফেরার কথা ভুলে যায়। উদাস হয়ে ও ভাবতে থাকে জীবনের অপার রহস্য।
http://24helpline.com/news/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%AE/