২০১৯ বিশ্বকাপে বোলার নিয়ে আমার ভাবনা!!
২০১৯ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসাবে আগামী মাসের ১৫ তারিখ শুরু হতে যাচ্ছে এশিয়া কাপের ২০১৮ এর আসর। এবারের আসরে দল থাকবে ৬ টি এবং আসরটি অনুষ্ঠিত হবে ইউনাইটেড আরব আমিরাতে। নিঃসন্দেহে একটি বড় এবং জমজমাট আসর হবে তা বলাই যায়।
বর্তমানে বাংলাদেশ ওয়ানডের জন্য একদম প্রথম শ্রেনীর একটা দল। যেকোন দলকে হেসে খেলে হারাতে পারে বাংলাদেশ। এটা আমার বিশ্বাস!! কারন বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন-আপ যথেষ্ট শক্তিশালী। ওপেনিং এ তামিম দাড়িয়ে গেলে খেলার অর্ধেক তুলে দিয়ে যেতে পারেন। তবে তার জন্য দরকার একজন যোগ্য সঙ্গী। সৌম্য আশা জাগালেও বেশ কিছুদিন বা বছরের বেশি সময় যাবৎ তাকে নিয়ে আমরা হতাশ। তার এই সুযোগটা যদি এখন আশরাফুলকে দেয়া হয় অথবা শাহরিয়ার নাফিসকে দেয়া হয় তাহলে নিশ্চয়ই ওপেনিং এ বাংলাদেশের দুঃখটা কিছুটা কমতো। কারন এদের দুজনের মত যোগ্য এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কোন ওপেনার বা ব্যাটসম্যান নেই। এক সময়ে তামিমের চেয়ে সেরা এবং ভরসাযোগ্য ওপেনার ছিলেন শাহরিয়ার নাফিস আহমেদ ভাই! কিন্তু ভাগ্যের সাথে পেরে ওঠেন নি। তার সাথে বরাবর অবিচার করা হয়েছে। সবকটি বিপিএল এ নজরকাড়া পারফর্ম করার পরও তার দিকে সুনজর দেয়া হয় নি। আর আশরাফুলের কথা কি বলবো! ওপেনিং, মিডেল-অর্ডার, টপ- অর্ডার সব পজিশনে খেলার যোগ্যতা রয়েছে তার। আমি ব্যক্তিগত ভাবে দুজনকেই জাতীয় দলে দেখতে চাই। নতুনদের যে কম সুযোগ দেয়া হয়েছে তাও কিন্তু না!!
এবার বোলারদের কথা বলা যাক! দলে এখন একমাত্র ফিট এবং নিয়মিত বোলার দেখা যাচ্ছে রুবেলকে। মাশরাফির বয়স হয়েছে, সে এখন সাপোর্ট দিবেন। তাকে বোলিং এর গুরুভার দেয়া যাবে না। আর মুস্তাফিজ!! দুই ম্যাচ খেললে তিন ম্যাচ ইঞ্জুরি!! আন্তর্জাতিকে পাচঁ ম্যাচ খেলে বিদেশি লীগে দশ ম্যাচ খেলার ফল যাকে বলে! কথাটা একটু কটু হলেও বাস্তব!! আর একজন স্টার আছে, তার কথা কি বলবো? বলে রান দেন নাকি ব্যাট করে ওই রান তোলেন তা বুঝে আসে না আমার। বলছিলাম তাসকিন আহমেদের কথা! দশ ওভার টানা বল করলে রান ৬০ এর নিচে হবে না, বরং উপরে হবে। তার এ সুযোগের দশ ভাগের একভাগ যদি আল-আমিন পেতো তাহলে নিঃসন্দেহে দেশের একজন সেরা বোলার হতেন তিনি। কিন্তু তা হয় নি! তাই এখন বাংলাদেশ বোলিং সমস্যায় অনেকটাই ভুগছে। ডেথ ওভার হোক আর ফিনিশিং হোক, বোলিং এ ভরসা যোগ্য কোন পেসার নেই আমাদের দলে!! এটা মানা জরুরী!! ...........
বাকিটা ভিন্ন পোষ্টে...