হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত,হুযুর (সাঃ) এরশাদ করিয়াছেন, তোমরা কুরআন শিক্ষা কর অতঃপর উহা তেলাওয়াত কর।কেননা,যে ব্যক্তি কুরআন শিক্ষা করে ও তেলাওয়াত করে এবং তাহাজ্জুদ নামাযে পড়িতে থাকে,তাহারা দৃষ্টান্ত ঐ থলির মত যাহা মেশকের দ্বারা ভরপুর; উহার খোশবু সর্বত্র ছড়াইয়া পড়ে। আর যে ব্যক্তি কুরআন শিক্ষা করিল এবং রাত্রে ঘুমাইয়া কাটাইয়া দিল তাহার দৃষ্টান্ত মেশকের ঐ থলির মত যাহার মুখ বন্ধ করিয়া দেওয়া হইয়াছে।
অর্থাৎ যে,ব্যাক্তি কুরআনে পাক শিক্ষা করিল এবং উহার যন্ত করিল,রাত্রের নামাযে তেলাওয়াত করিল,তাহার দৃষ্টান্ত সেই মেশকের পাত্রের মত যাহার মুখ খোলা রহিয়াছে এবং খোশবুতে সারা ঘর মোহিত হয়।তদ্রুপ হাফেজের তেলাওয়াতের দরুন সমস্ত ঘর নূর ও বরকতে ভরপুর থাকে। আর যদি হাফেজ রাতে ঘুমাইয়া থাকে বা গাফলতির কারণে তেলাওয়াত না করে,তবুও তাহার অন্তরে যে কালামে পাক রহিয়াছে উহা সর্বাবস্থায় মেশক।এই গাফলাতির কারণে ক্ষতি এই হইল যে, অন্যান্য লোকেরা উহার বরকত হইতে মাহরুম রহিল।কিন্তু তাহার অন্তর তো এই মেশককে নিজের ভিতরে ধারণ করিয়াই রাখিয়াছে।
(তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ,ইবনে জিব্বান)