বন্ধুত্ব (শেষ খন্ড )
একটা মজার ব্যাপার হল ওর সাথে আমার কখনও ঝগড়া হয়নি কিন্তু মান অভিমান হয়েছে।একবার ও আমাকে না জানিয়ে একটা ছেলের সাথে ও একটা ছেলের সাথে একটা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।এবং ওই ছেলের সাথে দেখা করা যোগাযোগ রাখার জন্য আমাদের ক্লাসের অন্য একটা মেয়ের সাথে ওর ফ্রেন্ডশীপ হয়।আর ওর সাথে করেই ওই ছেলেটার দেখা করতে যেত।এগুলো অবশ্য আমি পরে জেনেছি।ওই সময় আমি কিছুটা গড়বড় অনুভব করে তিনমাস ওর সাথে কথা বলি নাই এর ভিতর এস,এস,সি পরীক্ষা হয়ে গেছে।তখনো কথা বলি না আমি। আমার আবার অভিমানটা একটু বেশি।পরীক্ষার রেজাল্টের দিন স্যার আমার নাম্বার এ ফোন দিল, বলল তুমি স্কুল ফার্স্ট হয়েছো কথাটা শুনে খুব আনন্দ হল।তারপরই আমি সবার রেজাল্ট শুনতে চাইলাম বলল মেয়েদের ভিতর দুজন ফেইল করছে। আমি বললাম স্যার জান্নাতের কি রেজাল্ট হয়েছে? স্যার বলল ওর রেজাল্ট ফেইল আসছে। কথাটা শুনে বুক ভেঙ্গে কান্না আসলো খুব কাদলাম। আম্মু তো আমার কান্না দেখে রীতিমত ভই পেয়ে গেছিলো।যে আমি ফেইল করছি নাকি। যাইহোক আব্বু আম্মু বেশ খুশি হল রেজাল্ট শুনে।বিকাল বেলা জান্নাতের আপুর নাম্বার থেকে ফোন আসলো ।বলল জান্নাত খুব অসুস্থ অনেক জর ছিল এই তিনদিন আজ ভুল বকছে কোন কিছু চিনতে পারছে না বারবার সবাইকে তোমাকে মনে করে কথা বলছে তুমি একটু আসবা আমাদের বাড়িতে।