আমরা সকলেই বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপের সম্মুখীন হয়ে থাকি । যা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে অনেকে ভারসম্য বজায় রাখতে পারেন না ! কিন্তু জীবনের সাথে জড়িত বিষয়গুলোকে একটু নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিচার বিশ্লেষণ করে , চাপের কারনটি বের করতে পারলেই চাপ সমাধান করা সম্ভব ।
কর্মজীবী মানুষের অনেক কাজ জমা থাকলে মানসিক চাপের সৃষ্টি হয় - তাই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে একটি বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা করে যথা সময় সুষ্ঠভাবে কাজ করার অভ্যাস করলে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।
একঘেয়েমি মানসিক চাপের মাত্রা বাড়ায়। তাই মাঝেমাঝে নিজের পছন্দের কাজে একটু বাড়তি সময় দিতে হবে। এই যেমন- প্রিয় বন্ধুদের সাথে আড্ডা, পারিবারিক ভ্রমণ, বিনোদনমুলক ভালো অনুষ্ঠান দেখা ইত্যাদি।
প্রত্যাশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে,, অনেক সময় আমরা কারো জন্য কিছু করে বেশি প্রত্যাশা করি,, বা আমাদের পরিবারে/কাছের/আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে অনেক বেশি প্রত্যাশা করি,,,, যা শুরু থেকেই ত্যাগ করলে প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ার মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকা যায় ।
সর্বোপরি, মনকে শক্ত রাখবে হবে। জীবন মানে জি বাংলা নয়, জীবন মানে সংগ্রাম। অার তাই জীবন সংগ্রামে জয়ী হতে চাইলে অবশ্যই মনকে হীরার মত শক্ত করতে হবে। শক্ত মন দেখলে মানসিক চাপ নিজেই অনেক চাপে থাকে।
বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা দিন। বেড়াতে যান বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনের বাসায়। স্থানের পরিবর্তন মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
মানসিক চাপে থাকলে অনেকেই ঝুঁকে পড়েন মাদকের দিকে। এতে কোনো উপকারই হয় না বরং শারীরিক ও মানসিক স্থায়ী ক্ষতি হয়। তাই ধূমপান ও মাদককে ‘না’ বলুন।
নতুন জায়গায় বেড়াতে যাওয়া যায়,মনের মত দুচারজন বিশ্বস্থ বন্ধু থাকলে তাদের সাথে কিছু কষ্ট শেয়ার করলে অনেক সময় অনেক জটিল সমস্যার সমাধান বের হয়ে যায় -- যাতে মানসিক চাপ মুক্ত থাকা যায় ।
পরিবেশ আসে-পাশের মানুষকে বুঝতে চেষ্টা করতে হবে -- অনেক সময় কিছু সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের সর্বদা মনে হয় কেউ একজন বুঝি আমার সঠিকভাবে যত্ন করেননা । এমন ক্ষেত্রে আমি কতটুকু করি,,, না করলে কেন করিনা,,, ইত্যাদি বের করে উদার মানসিকতার দার উন্মুক্ত করে সম্পর্কিত মানুষটি/মানুষগুলোর প্রতি আমার দায়িত্ব পালন করলে অনেক সময় প্রশান্তিতে মনটা ভরে যায় যা মানসিক চাপমুক্ত রাখে