আমরা সবাই পড়ার টেবিলে বসে যতটা ক্ল্যান্ত হয়ে পরি তোতটা হয়তো অন্য কোথাও হয় না। পরীক্ষা যতটাই এগিয়ে আসে আমাদের মধ্যে ততটাই ভয় বৃদ্ধি পায়। এতটাই বৃদ্ধি পায় যে আমরা মুখস্ত করা পড়া ভুলে যাই। আর যখন এমনটা হয় তখন আমরা অভিযোগ করি যে " পড়া ভুলে যাই "। আমরা সকলেই কমবেশি এই হতাশায় ভুগে থাকি।এর মূল কারন হচ্ছে আমাদের একঘেয়েমি ও ভয় । তবে কিছু কৌশল রয়েছে যেগুলো অবলম্বন করলে আমরা এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবো ।
পড়া শুরু করার আগে ওয়াকিং করাঃ
DR. Chuk Hillman University এর একটি জরিপে এটা প্রমানিত হয়েছে যে, পড়তে বসার আগে যদি ২০ মিনিট হাটাহাটি করা হয় তাহলে মস্তিষ্কের ধারন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই পড়া শুরু করার আগে একটু হাটাহাটি করে নিতে পারেন। এতে যেমন আপনার ফিজিক্যাল ব্যায়াম হবে তেমনি মস্তিষ্কেরো ব্যায়াম হবে ।
কালার পেন ব্যবহার করুনঃ
আপনার পড়ার মধ্যে রঙের ছোঁয়া আনতে পারে পড়ার মধ্যে নতুনত্ব । এমন অনেক অনেক পয়েন্ট রয়েছে যেগুলো আমরা বারবার পড়ার পরও ভুলে যাই। আমরা সেই পয়েন্ট গুলো মার্কারি দিয়ে মার্ক করে রাখতে পারি। এর ফলে যখনই আমরা শিটের দিকে তাকাবো ততবারই ঐ পয়েন্টটা আমাদের দৃষ্টি আকর্শন করবে। তাছাড়া রসায়নের অনেক সংকেত রয়েছে যেগুলো এভাবে কালারিং করে মনে রাখা যেতে পারে।
পড়ার জন্য বেস্ট সময়টি চিহ্নিত করাঃ
আমারা অনেকেই মনে করে থাকি সারাদিন ২৪ ঘন্টা পড়লে পড়া মনে থাকবে। কিন্তু ধারনাটা আসলেই ভুল, কারন আমাদের ব্রেন যে সবসময় একই ভাবে কাজ করবে ধারনাটা কিন্তু ভুল। সময়ের পার্থক্য আমাদের পড়ার ভিন্নতা সৃষ্টি করে। সাধারনত বিভিন্ন গবেশনায় দেখা গিয়েছে, বিকালে বা সন্ধ্যায় পড়লে সেটি বেশি কার্যকর থাকে। তাই এই সময়টা পড়ার সময় হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত।
পড়া মুখস্ত করুন নিমনিক কৌশল ব্যবহার করেঃ
পড়া মনে রাখার জন্য আমরা কতই না পন্থা অবলম্বন করে থাকি।ঠিক ঐ সব পন্থার মধ্যে একটি অন্যতম পন্তা হচ্ছে নিমনিক কৌশল । নিমনিক (mnemonic) মানে হচ্ছে মনে রাখার বিশেষ কৌশল । আমদের ব্রেইনে অগোছালো কিছুই সহজ ভাবে ক্যাচ করতে পারে না। তাই আমরা যেকোন কঠিন পড়া মুখস্ত করার জন্য নানা ধরনের ছক আবার অনেক সময় ছন্দ মিলিয়ে পড়া মুখস্ত করে থাকি । আর এই অসাধারন ভাবে পড়া মুখস্ত করাই হচ্ছে নিমনিক (mnemonic) ।