চা
চা(ইংরেজি tea) সুগন্ধযুক্ত এবং গন্ধযুক্ত গরম পানীয় যা গরম পানিতে ফুটিয়ে তৈরি করা হয়। চা গাছ থেকে চা পাতা পাওয়া যায়। গ্রীক দেবী থিয়ার নামানুসারে এরুপ নামকরন করা হয়েছিল। চিনে টি এর উচ্চারণ ছিল'চি'। পরে হয়ে যায় চা।পানির পরেই চা মানুষের সচেয়ে প্রিয় পানীয়। চা বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় পানীয়ের নাম। চা পান করেনা বা চা পছন্দ করে না এমন লোক খুব কমই আছে। চা শুধু বাংলাদেশের নয় সারা পৃথিবীর ই একটি জনপ্রিয় পানীয়। প্রস্তুতি প্রনালী অনুযায়ী চা কে প্রধানত ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- কালো চা, সবুজ চা, ইষ্টক চা, উলং চা এবং প্যারাগুয়ে চা। এছাড়াও আরও অনেক রকমের চা আছে।
স্থির চিত্র- চা পাতা সংগ্রহ।
এক প্রকার চিরহরিৎ বৃক্ষের পাতা শুকিয়ে চা প্রস্তুত করা হয়। চিন দেশেই প্রথম চা উৎপন্ন হয়। পরে সারা পৃথিবী জুড়েই এর চাষ শুরু হয়। ১৬৫০ সালে চীনে প্রথম চা এর চাষ শুরু হয়। ১৮১৮ সালে ভারতবর্ষে এবং ১৮৫৫ সালে ব্রিটিশরা বাংলাদেশের সিলেটে প্রথমে চা এর আবাদ শুরু করেন। ১৮৫৭ সালে বাংলাদেশে প্রথম বানিজ্যিক ভাবে চা উৎপাদন শুরু হয়।
স্থির চিত্র- প্রস্ততকৃত লাল চা।
চা গাছ রোপন, পরিস্কার, সার প্রয়োগ, কচিপাতা বাছাই করা, শুকনো এবং প্যাকেজিং করার জন্য অনেক লোকের দরকার।
বাংলাদেশের ইস্পাহানী, লিপটন, সিলন আর ও ছোট বড় অনেক কোম্পানি চা বাজারজাত করে থাকে। চা উৎপাদনে চায়না রয়েছে পৃথিবীতে সবার উপরে। বাংলাদেশ রয়েছে অষ্টম স্থানে।
চা পান করলে মানুষের শরীরের অনেক উপকার উপকার হয়।
বাংলাদেশের মানুষ সাধারণত দুই ধরনের চা ই বেশি পান করে থাকে। প্রথমত দুধ চা এবং রং চা। এর মধ্যে রং চা টাই সবচেয়ে উপকারী।