শিক্ষক
আমি বড়, অনেক বড় কিন্তু আমার এই বড় হওয়ার পিছনে অবশ্যই কার ও না কার ও অবদান রয়েছে। কথাগুলো আমি বলেছি কারন এর পিছনে অনেক যুক্তি রয়েছে। আমরা সকলেই জানি যে, আমরা কেউ জন্ম থেকেই দুনিয়ায় বড় হয়ে জন্মগ্রহণ করি নাই। আমাদের বড় হয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পিছনে মা-বাবা, ভাই-বোন, দাদা-দাদি,চাচা-চাচী, শিক্ষক-শিক্ষকা পাড়া-প্রতিবেশী অতঃপর সমাজের সকলেরই কম বেশি অবদান রয়েছে। ছোট বেলা থেকে বাবা-মা আমাদের লালনপালন করে বড় করেছেন আপনাদের খাবার পোশাক টাকা পয়সা ইত্যাদির জোগান দিয়েছেন তার জন্য বাবা মায়ের অবদানকে আমরা সম্মান জানাই। বাবা-মায়ের পাশাপাশি দাদা-দাদি, নানা-নানি এবং আর অনেকই আমাদের বড় হওয়ার পিছনে কোন না কোনভাবে জড়িত আছে।
স্থির চিত্র-প্রাইমারী স্কুল শিক্ষক।
কিন্তু আজ আমরা যারা লেখা পড়া করে সমাজের মধ্যে একটা জায়গায় পৌছাতে পেরেছি যার অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি হলেন আমাদের শিক্ষক। সেই প্রাইমারী স্কুল থেকে শুরু করে শেষ অবধি আমরা তাদের কাছেই শিক্ষা গ্রহণ করেছি। আমাদের শিক্ষা জীবন এ যিনি সবচেয়ে বেশি কষ্ট করে আমাদের শিখিয়েছেন তিনি হলেন আমাদের প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক। আমরা যখন প্রাইমারি স্কুল এ ভর্তি হই তখন একটা আদর্শলিপি বই নিয়ে ক্লাস এ যাই, তখন অ, আ, ই, ঈ ছাড়া আর কিছুই আমরা পারতাম না, কিন্তু একজন প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক আমাদেরকে নিজের সন্তানের মতো আদর স্নেহ আর ভালবাসা দিয়ে আমাদের হাতে কলমে শিক্ষা দিয়েছেন।
স্থির চিত্র-কলেজ শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রী।
একজন প্রাইমারি স্কুল শিক্ষকের কাছেই শিক্ষা নিয়ে আমরা হাই স্কুলে গিয়েছি, সেখান থেকে আবার আর এক শিক্ষকের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পার হয়ে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে আমাদের কাংখিত স্থানে পৌছাতে সক্ষম হয়েছি।আজ আমরা অনেকেই অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানে অনেক বড় পদে চাকুরী করছি কিন্তু একবার ও কখনো আমরা খবর নিয়ে দেখেছি যে, মানুষ গড়ার কারিগর আমদের প্রিয় শিক্ষক আজ কেমন আছে? কোথায় আছে? আমরা কিন্তু অনেকেই তার খবর রাখিনা, যেটা আমরা মোটেই ঠিক করি না।কিন্তু এই দায়বদ্ধতা থেকে আমরা কিছুতেই মুক্তি পেতে পারি না। তাই আসুন আমরা সকলেই আমাদেরকে সত্যি কারে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সেই শিক্ষকদের পাশে দাডাই এবং তাদের খোঁজ খবর নেই।