পর্যটন শিল্প বাংলাদেশের একটি অন্যতম সম্ভাবনাময় শিল্প। সরকার এবং পর্যটন এরিয়ার বাসিন্দারাই পারে এই শিল্পের বিকাশ ঘটাতে।
সামান্য অবিঙ্গতা থেকে বলছি-
পর্যটন শিল্পের সমৃদ্ধির জন্য দুটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর একটি পর্যটন এরিয়ার মানুষ গুলোকে হতে হবে সৎ এবং সহযোগিতা ভাপাপন্ন। দুই- প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রের পর্যাপ্ত তথ্য সমৃদ্ধ সরকারি ওয়েব সাইট।
একাডেমিক ইন্টার্ণশিপের সুবাদে বেশ কিছু দিন থাইল্যান্ডে থাকার সুযোগ হয়েছে অামার । ঘুরেছি বেশ কিছু প্রভিন্স। যতটা মনে হয়েছে-
থাইল্যান্ডের পর্যটন শিল্প যথেষ্ট সমৃদ্ধ এবং মোট পর্যটকের প্রায় ৭০% অাসছে বিভিন্ন দেশ থেকে । এই সমৃদ্ধির পিছনে দুটি বিষয়কে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে।
১. মানুষ গুলো যথেষ্ট সৎ এবং সর্বদা সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত। ধরেন অাপনি কোথাও যাবেন । বুঝে উঠতে পারছেন না কি ভাবে সেখানে যাবেন। কাওকে জিঙ্গাশা করলে । সে যদি বিষটা সম্পর্কে না যানে , তবে পাশের কারও সাথে অলাপ করে অাপনাকে অাপনার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য পরিষ্কার একটি ধারনা দিয়ে দিবে । বেশির ভাগ সময় দেখা যায় , অাপনার সমস্যা সমাধান হওয়ার অাগে ঐ ব্যক্তি অাপনাকে ছেড়ে যাবে না ।
২. প্রথ্যেকটা প্রভিন্সের নিজস্ব ওয়েব সাইট যেখানে পাওয়া যায় ঐ প্রভিন্সের সকল পর্যটন কেন্দ্রের পর্যাপ্ত তথ্য উপাত্ত, যেটি ব্যবহার করেই একজন পর্যটক সহজেই পৌঁছতে পারেন গন্তব্যে ।
অামাদের এই সোনার বাংলায় রয়েছে পর্যটনের পর্যাপ্ত রিসোর্স । বাট সেই তুলনায় বিদেশী পর্যটক নেই বল্লেই চলে। সরকার সামান্য কিছু সংস্কার এবং সংযোজনের মাধ্যমে এই খাত থেকে অায় করতে পারে বড় অংকের বৈদেশিক রেমিটেন্স।