অনেকেই আছেন সময়ের অভাবে ভ্রমনে যেতে পারেন না।সেক্ষেত্রে একদিনের ভ্রমনের জন্য নিকলী বেড়িবাঁধ ঘুরে আসতে পারেন।বর্ষার সময় এই জায়গা ভ্রমনের জন্য বেশ উপযুক্ত।যারা মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান।বৃষ্টির পরবর্তী সময় এর পরিবেশ আপনাকে অত্যন্ত মুগ্ধ করবে।এছাড়া নৌকায় করে পুরো হাওর ঘুরা যায়।বেড়িবাঁধ থেকে নৌকায় করে ছাতিরচরও যাওয়া যায়। যারা রাত এ থাকতে চান তারা চাইলে নৌকার ভিতর রাত্রিযাপন করতে পারবেন।
যেভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে যদি ভোরে রওনা করে রাতের মধ্যে চলে আসতে চান, তাহলে সবচে সুন্দর পন্থা হচ্ছে পুলেরঘাট দিয়ে যাওয়া। নিকলী হাওর সবচে বেশি কাছে হয় কিশোরগঞ্জের পুলেরঘাট থেকে। যেতে পারবেন ঢাকা সায়দাবাদ এর পাশে গোলাপবাগ বাসস্ট্যান্ড থেকে ‘অনন্যা সুপার’ ও ‘যাতায়াত’ ভাড়া ২২০ টাকা। সময় লাগবে ৩ ঘণ্টা। পুলেরঘাট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা দিয়ে ১ ঘণ্টায় নিকলী বেড়িবাঁধ। সিএনজিতে জনপ্রতি ভাড়া ৮০ টাকা। ভালো থাকা-খাওয়ার চিন্তা করলে আপনাকে কিশোরগঞ্জ শহরেই যেতে হবে। নিকলী থেকে কিশোরগঞ্জ শহরে যেতে সিএনজিতে ঘণ্টাখানেক লাগে। আর যদি মনে করেন, কিশোরগঞ্জ শহর ও শহরের আশপাশে আরও কিছু ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন যেমন ইশাখাঁর বাড়ি, চন্দ্রাবতীর শিবমন্দির, ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ, ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ, ইত্যাদি ঘুরে আসবেন। তবে আপনি ঢাকা থেকে সরাসরি কিশোরগঞ্জ শহরে চলে যেতে পারেন। কিশোরগঞ্জ শহর থেকেই আবার যেতে পারবেন নিকলী হাওরে। রেলস্টেশনের দক্ষিণ পাশ থেকে সিএনজি অটোরিকশা যায় নিকলীর দিকে। মাথাপিছু ৮০ টাকা ভাড়ায় মাত্র ১ ঘণ্টায় আপনি নিকলী হাওর বেড়িবাঁধে পৌঁছতে পারবেন।
অথবা শহর থেকে চলে যেতে পারেন শহরের খুব কাছেই চামড়াবন্দরে। সেখান থেকেও নৌকা ভাড়া করে ঘুরতে পারেন হাওরের আরেক পাশ। শহরের একরামপুর রেলক্রসিং থেকে চামড়া বন্দরে যাওয়ার সিএনজি অটোরিকশা বা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পাওয়া যায়। সিএনজিতে সময় লাগবে আধা ঘণ্টারও কম। ভাড়া মাথাপিছু ৪০-৫০ টাকা।
অথবা চাইলে ট্রেনে যেতে পারেন। কিশোরগঞ্জে যাওয়ার সবচে আরামদায়ক জার্নি হচ্ছে ট্রেন। সারা দিনে ৩টি আন্তঃনগর ট্রেন ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আসা-যাওয়া করে।তবে একদিনের ভ্রমনের ক্ষেত্রে যাওয়ার সময় ট্রেনে করে যাওয়ায় উত্তম।
যেখানেই ভ্রমন করেন না কেনো পরিবেশ নোংরা করা থেকে বিরত থাকুন।