অনেক নাম শুনেছিলাম মজিদ মিঞার মুড়ি মাখার । এবার ভাবলাম খেতেই হবে। মেনু ঘেটে দেখি ৩০ থেকে ৫০০ বিভিন্ন দামের মুড়ি মাখা ।
খাবো যখন ভাবলাম ৫০০ টাকার টাই খাই । কি আছে জীবনে!!
মজিদ মিয়াও বললেন , " খেয়ে দেখেন, অন্তত ৬ মাস মুখে স্বাদ লেগে থাকবে।"
তার কথা শুনেই অর্ডার দিলাম '৫ কালার স্পেশাল মুড়ি মাখা'
মজিদ মিয়া নিজেই শুরু করলেন এই মুড়ি মাখানো । ( বি দ্র : শুধু এই ৫০০ টাকার মুড়ি টাই মজিদ মিয়া বানান। বিফ মুড়ি, চিকেন তান্দুরি মুড়ি এগুলো অন্য ২ জনের কেউ বানায়।)
প্রথমে আলু ডিম , পেঁয়াজ, মরিচ আর বুট দিয়ে শুরু করলেও পরে কোয়েলের মাংস , গরুর মাংস , কোয়েলের ডিম , তান্দুরি চিকেন , সস , আলুর চপ, মেয়নিজ , চিংড়ি মাছসহ কি কি যে মেশালেন কোন হিসাব নাই
এবার একটা লাল রুমাল বিছিয়ে তার উপর দিলেন এই বিখ্যাত মুড়ি মাখা।
মুখে দিয়ে কি বলবো সব গুলো উপাদানের এক অস্থির বিস্ফোরণ মুখের ভেতর। কোন কিছু দেওয়ায় কার্পণ্য করেননি। তবে মুড়িটাই মে বি কম ছিল। এত দাম রাখার কারন তখন বোঝাগেল। পরিমান বেশ ছিল।
আমরা ২ জন খেয়েছিলাম ক্ষুধার্ত পেটে। অনায়াসে লাঞ্চ হয়ে বেশি হইছে। আর সবচেয়ে ভালো বেপার ছিল মুড়ি গুলো এত কিছুর সাথে মেশানোর পর ও নরম হয়ে যায় নি।
আর হ্যা এটার সাথে হাফ লিটার পানি ছিল ফ্রি আর খাওয়ার পরে সুন্নতি হিসেবে ৬ পিস খেজুর দেওয়া হয় আমাদের । আর তাদের ব্যবহার , (বিশেষ করে মজিদ মিয়ার,) ছিল অত্যন্ত আন্তরিক।
রিভিউ ভালো লাগলে ফলো করুন।
ফেইসবুকে আমি- এখানে ক্লিক করুন