আমাদের বাংলাদেশের পচুর পরিমাণে গরম পড়তেছে । আর এই গরম থেকে পছুর পরিমাণে শরীর থেকে ঘাম ঝরে ।ফলে পছুর পরিমাণে ক্যালরি ক্ষই হয়। আর এই ক্যালরি পুরন করার জন্য ডাব খাওয়ার বিকল্প নাই। ডাব খাইলে আমাদের শরীরের এই ঘারতি পুরন করতে সম্ভব। এই ঘারতি পুরন না হলে অনেক ক্ষতি হতে পারে। যেমন জন্ডিস ,হওয়া সম্ববনা বেশি থাকে। আর আমাদের দেশে সব জেলাতেই ডাব পাওয়া যাই। ডাবের মূল্য খুব বেশি নই। আপনারা চাইলে প্রত্যেক দিন ডাব খাইতে পারেন। ডাবের পানিতে পতি ১০০ গ্রাম ডাবের পানিতে ৭০ কিলো জুলো খাদ্য শক্তি রইয়াছে।
উপকারিতাঃ
- কচি ডাবের পানিতে শরীর ঠাণ্ডা রাখে।
- ডাবের পানিতে পছুর পরিমাণে পটাসিয়াম , ক্যালসিয়াম , ভিটামিন সি, ইত্যাদি পাওয়া যাই। এইগুলো মানুসের জন্য খুবই উপকারী।
- ডাইরিয়া হলে কচি ডাবের পানি বেশ উপকারী। পটাশিয়াম আর জন্য খুব ভাল উপকার পাওয়া যাই।
- ডাবের পানি মুখের মেস্তা দূর করে। এবং সুন্দর চেহারা করে তোলে।
- ডাবের পানিতে অনেক রোগ প্রতিরোধ করে।
- ডাবের পানি অনেক সময়ই স্যালাইন হিসাবে কাজ করে থাকে।
চাষঃ
ডাব বাংলাদেশে সব জেলাতেই চাষ করা যাই। বাংলাদেশে পছুর পরিমাণে নারকেল গাছ আসে। বর্তমানে নারকেল এর উৎপাদন কমে গেছে। কারন মোবাইল কম্পানির টাওয়ারের জন্য নারকেল এর উৎপাদন কমে গেছে।
ডাব সংগ্রহঃ
নারকেল হওয়ার আগ পজন্থ গাছ থেকে ডাব সংগ্রহ করা হয়। এই সময়ই ডাবের খলস খুব নরম থাকে। এবং এই ডাবের পানিতে অতিরিক্ত পরিমাণে লবন পাওয়া যাই। যা শরীরের জন্য খুবই ভাল। একটি নারকেল এর থেকে একটি ডাবের মূল্য বেশি । এজন্য বেশি ভাগ ক্ষেত্রে ডাব সংগ্রহ করা হয়।
পরিশেষে আমি বলতে পারি সুস্ত থাকার জন্য প্রত্যেক দিন ডাব খাওয়ার বিকল্প নাই। একটি মানুষের প্রতিদিনের ঘারতি পুরন করতে পারে এই ডাবের পানি।
সবার সুস্ত কামনা করছি ।এবং আমার পোস্ট পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ । সবাই সুস্ত থাকবেন ভাল থাকবেন।