"তুমি যাবে ভাই- যাবে মোর সাথে, আমাদের ছোট গাঁয়,
গাছের ছায়ায় লতায় পাতায় উদাসি বনের বায়;------------
ছোট গাঁওখানি- ছোট নদী চলে, তারি একপাশ দিয়া, কালো জল তার মাজিয়াছে কেবা কাকের চক্ষু নিয়া;"
__#কবি জসীম উদ্দীন।
হ্যা আমি গ্রামে যাওয়ার জন্য নিমন্ত্রন জানাই এই শহর বাসিকে। কারন গ্রামের পথে প্রান্তরে রয়েছে অনাবিল সুখ আর শান্তি। যা হাজার কোটি টাকার বিনিময়েও মিলবেনা অন্য কোথাও। গ্রামের মন মুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর দূষন মুক্ত সুশীতল বাতাস যেন সর্গসুখ এনে দেয় প্রানে।
শহরের কোলাহল আর যান্ত্রিক জীবন ত্যাগ করে প্রত্যকের উচিৎ গ্রাম থেকে ঘুরে আসা কিছুদিনের জন্য। তাহলে মন যেমন ফ্রেশ থাকবে তেমনি নিস্তেজ প্রান হয়ে উঠবে সতেজ।
আমি যখনই অস্বস্তি অথবা অসুস্থতায় ভুগি আমি সাথে সাথেই আমার গ্রামে ছুটে যাই। আমি জানিনা এটা হয়তো কোনো কাকতালিয় ব্যাপার হতে পারে আমার ক্ষেত্রে যে, আমি যতই অসুস্থ থাকিনা কেন গ্রামে প্রবেশ করার সাথে সাথেই আমি সুস্থ হয়ে যাই, আমার দুর্বল স্বাস্থ্য যেন সতেজ হয়ে উঠে। এটা আমার ক্ষেত্রে ঘটে থাকে অন্যদের ক্ষেত্রে জানিনা এমনটা হয় কিনা।
যাই হোক, গত এক সাপ্তাহ ধরে আমি আমার গ্রামে অবস্থান করেছি যার কারনে হাইভ এ আসা হয়নি। কারন গ্রামে নেট স্পিডটা একটু দুর্বল থাকে।
কিন্তু ফেসবুক বা অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়া ভালো চলে।
এই কয়দিন আমি আমার গ্রামটাকে ঘুরে ঘুরে দেখেছি, দেখেছি গ্রামের অপরুপ সৌন্দর্য্য৷ আমাদের সবজি ক্ষেত, ধান ক্ষেত এবং বাগানের পরিচর্যা করেছি।
ঢাকায় থাকার কারনে এইকাজগুলা আমি খুব মিস করি তাই গ্রামে গেলে ঘরে বসে থাকিনা। সব কিছু ঘুরে ঘুরে দেখি। নিজেদের ক্ষেতের পরিচর্যা করি। আমি গ্রামের একজন কৃষকের ছেলে তাই এই কাজগুলা আমার জানা আছে এবং আমার করতে খুবই ভালো লাগে।
নগরায়নের ফলে গ্রামের অবস্থা এখন আর আগের মত নাই এখন গ্রাম অনেকটা উন্নত এবং মানুষের জীবন যাত্রাতেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখনকার গ্রাম আর বর্তমান গ্রামের চিত্র আকাশ পাতাল পার্থক্য। বছর দশেক আগের গ্রামের সৌন্দর্যের সাথে বর্তমান গ্রামের কোনো মিল নেই। এখন গ্রামও ধীরে ধীরে শহরের মত হয়ে যাচ্ছে তারপরেও গ্রামতো গ্রামই। গ্রামের সাথে অন্য কিছুর তুলনা চলেনা।
আমি আমার গ্রামকে খুবই ভালবাসি এবং আমার গ্রামের সৌন্দর্য্য খুবই উপভোগ করি।