তাহাদের প্রথম দেখা... অতঃপর বিয়েটা পাক্কা...
বিয়েতে যখন সম্মতি তাই খাওয়া দাওয়াও আনলিমিটেড।
ভাবতে পারেন.. উইন্ড অব চেইঞ্জ রুফটপ। চাঁদ জোছনায় প্লাবিত রাত। সেই জোছনা মুখর রাত্রিতেই তাহাদের প্রথম দেখা হলো। অতঃপর দুই পরিবারের উপস্থিতিতে দুজনেরই বিয়েতে সম্মতি। বিয়ের সম্মতি মানেই দুটো পরিবারেই উৎসবের প্রস্তুতি। এ উপলক্ষ্যে উইন্ড অব চেইঞ্জ-এ আনলিমিটেড (বুফে) খাবার দাবার।
এই সব কিছুই ঘটেছে সেদিন চট্টগ্রামের ব্যতিক্রমি রেস্টুরেন্ট এন্ড লাইভ মিউজিক লাউঞ্জ -এর রুফটপে। ছবিতে যাদেরকে দেখছেন তারা তখনো স্বামী স্ত্রী নন। এই ছবি তোলার আগে তারা আগে কেউ কাউকে একনজরও দেখেনি। উইন্ড অব চেইঞ্জে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে তাদের দেখা-সাক্ষাত হলো। আর এমন ভালোবাসাময় পরিবেশে কেউ কাউকে পছন্দ না করে কি পারে। ফলাফল বিয়ে পাক্কা। আসল খবর হলো শীঘ্রই তাদের আনুষ্ঠানিক বিয়ে হবে। আর খাওয়া দাওয়ার আয়োজনও যথারীতি উইন্ড অব চেইঞ্জে।
এই রেস্টুরেন্টের বুফে সম্পর্কে সবাই কিন্তু আগে থেকেই জানেন। তবু আরও একবার জানিয়ে দেই। স্বাধীনতার ৪৭ বছর উপলক্ষ্যে এই মাসে প্রতি শুক্রবার ৪৭ রকমের খাবার মেনু নিয়ে বুফে আয়োজিত হয়। জনপ্রতি মাত্র ৮০০ টাকা। বুফেতে থাই, চাইনিজ, ইন্ডিয়ান এবং বাংলাদেশী খাবারের সমাহার রয়েছে। ১২ রকমের ডেজার্ট, ১০ রকমের এপাটাইজার। বড় বড় কোরাল ফিশ। বাকি থাকে না কিছুই। আগামী শুক্রবারও সমান আয়োজন থাকছে। বুফে ছাড়া প্রতিদিনের সব মেনুতে এফ এম মেম্বারদের জন্য ১০% ডিসকাউন্ট তো আছেই। ভ্যাট কিংবা সার্ভিস চার্জ নেই।
আর হ্যাঁ ,, মনে করিয়ে দেই.. যাকে বিয়ে করতে চান... মনে মনে পছন্দ করেন কিন্তু বলতে পারেন না। কোনভাবে উইন্ড অব চেইঞ্জ-এর রুফটপে একটা আয়োজন করেন। খোলা আকাশের নিচে চাঁদ জোছনার মাখামাখি ভালোবাসার মুখর সময় হবে নিঃসন্দেহে। ভালোবাসাটা তো জমবেই। একই সাথে বিয়েটাও ঠিক পাক্কা হয়ে যাবে...